চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালের আরএমও আওয়ামী লীগের দোসর ডা: মাহবুবের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ!
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালের আরএমওর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ
ডেস্ক রিপোর্ট
টাইমস বাংলা নিউজ বিডি
২৭জুন২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মাহবুবুর হাসানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হাসপাতালের প্রশাসনিক কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে নানা অসঙ্গতি চলে আসছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতালের বিভিন্ন সেবা কার্যক্রমেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
এসব ঘটনায় সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, হাসপাতালের কিছু কর্মকাণ্ডে রাজনৈতিক প্রভাবও কাজ করছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এতে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
হাসপাতালের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন অনেকে।
সম্প্রতি একজন স্থানীয় বাসিন্দার লিখিত অভিযোগের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
অভিযোগে হাসপাতালের প্রশাসনিক নানা সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।
রোগীদের সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রধান দায়িত্ব বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ ধরনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন বলেও মনে করছেন স্থানীয়রা।
দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।
সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করাও জরুরি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা আরও স্বচ্ছ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
চিকিৎসাসেবার পরিবেশ উন্নত করার দাবিও রয়েছে।
সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করেছেন অনেকে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগেরও এ বিষয়ে নজরদারি বাড়ানোর দাবি উঠেছে।
তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সরকারি তদন্ত বা আদালতের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি।
তাই অভিযোগগুলো তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হওয়া প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
স্বাস্থ্যসেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হলে রোগীরা উপকৃত হবেন।
সরকারি হাসপাতালের সুনাম রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
অভিযোগের বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছেন সবাই।
নিরপেক্ষ তদন্তের ফলাফলের ওপর পরবর্তী ব্যবস্থা নির্ভর করবে।
সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
জনস্বার্থে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।
